মো. শাহজাহান মিয়া ::
জগন্নাথপুরে ফিলিং স্টেশনে তীব্র গ্যাস সংকট বিরাজ করছে। এছাড়া এলপিজি সিলিন্ডার গ্যাসের সংকটে অনেক পরিবারে রান্নাবান্না হচ্ছে না। এতে জনমনে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। শুধু তাই নয়, গ্যাস সংগ্রহ করতে ফিলিং স্টেশনে যানবাহনের দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হচ্ছে। হঠাৎ সড়ক দখল করে এসব যানবাহন দাঁড়িয়ে থাকায় যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। রবিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সড়ক দখল করে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় শতাধিক অটোরিকশাকে। গ্যাস সংগ্রহ করতে জগন্নাথপুর পৌর শহরের হাবিবনগর গ্রাম এলাকায় অবস্থিত নলজুর এলপিজি ফিলিং স্টেশন ও পাশে থাকা প্রধান সড়ক দখলে নেয় অটোরিকশার চালকেরা। এ সময় গ্যাস সংগ্রহ করতে আসা সিতাব আলীসহ অটোরিকশা চালকদের মধ্যে অনেকে বলেন, গ্যাসের জন্য আমাদের সিলেট ও সুনামগঞ্জ শহরে যেতে হয়। এতে আমাদের নানা ভোগান্তির শিকার হতে হয়। জগন্নাথপুরে এক এক করে দুইটি এলপিজি ফিলিং স্টেশন হওয়ায় কিছুটা হলেও দুর্ভোগ কমেছে। তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ইদানিং গ্যাস সংকট চরম আকার ধারণ করেছে। ফলে জগন্নাথপুরে অন্য ফিলিং স্টেশনে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে এ স্টেশন আসা। এখানে গ্যাস পাওয়ায় আমরা দিনভর লাইনে থেকে গ্যাস সংগ্রহ করছি। তবে সড়কে যানজট নিরসনে আমরা নিজে থেকে দায়িত্ব পালন করছি। এছাড়া ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার গ্যাসের সংকটে অনেক পরিবারে রান্নাবান্না হচ্ছে না। যারা বাসা নিয়ে আছেন তাদের সমস্যা সব থেকে বেশি। বাড়িঘরে মানুষ লাকড়ি দিয়ে রান্নার কাজ সারছেন। নাম প্রকাশ না করে কয়েকজন ভোক্তা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, এমনি কোথাও গ্যাস পাওয়া যায় না। বাড়তি টাকা দিলে অনেক সময় পাওয়া যায়। আগে ১২ কেজি গ্যাস বোতালের দাম ছিল ১৩ থেকে ১৪শ টাকা। বর্তমানে ১৮শ থেকে ২ হাজার টাকা গুনতে হয়। তাও সব সময় পাওয়া যায় না। এ বিষয়ে জানতে চাইলে জগন্নাথপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বরকত উল্লাহ জানান, শুধু ফিলিং স্টেশন নয়, জগন্নাথপুরের সর্বত্র গ্যাস সংকট বিরাজ করছে। তিনি নিজেই গ্যাস সংকটে ভুগছেন বলে জানান। এটি জাতীয় সমস্যা।
নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha
এলপিজি গ্যাসের সংকটে অনেক পরিবারে রান্নাবান্না হচ্ছে না
ফিলিং স্টেশনে গ্যাস সংকট, জনমনে অসন্তোষ
- আপলোড সময় : ২৬-০১-২০২৬ ০৯:২২:৩১ পূর্বাহ্ন
- আপডেট সময় : ২৬-০১-২০২৬ ০৯:২৪:১৭ পূর্বাহ্ন
কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ

জগন্নাথপুর প্রতিনিধি